সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০০:১৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ক্যারিবীয় সাগরে মাদকবাহী নৌযানে ফের মার্কিন হামলায় নিহত ৩

ক্যারিবীয় সাগরে মাদকবাহী নৌযানে ফের মার্কিন হামলায় নিহত ৩

ক্যারিবীয় সাগরে একটি সন্দেহভাজন মাদকপাচারকারী নৌযানে ফের হামলা চালিয়ে তিন জনকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এর ফলে বিতর্কিত এই অভিযানে মোট নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৮০ জনে পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, লাতিন আমেরিকায় তারা যাদের ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ বলে চিহ্নিত করছে, তাদের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ চালানো হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে সন্দেহভাজন মাদকপাচারকারী নৌযানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু হয়।

এ অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর দায়িত্বে থাকা মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানায়, তারা ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠনের পরিচালিত একটি নৌযানের ওপর প্রাণঘাতী হামলা’ চালিয়েছে।

তাদের দাবি, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী নৌযানটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের পরিচিত মাদকপাচার রুটে চলাচল করছিল এবং মাদকপাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল। 

এ অভিযানে তিন জন পুরুষ  ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসেই এ ধরনের অন্তত ছয়টি হামলা চালানো হয়েছে। 

এএফপির হিসাব অনুযায়ী, এ সব অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৮০ জনে পৌঁছেছে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন যে সব নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করছে, সেগুলো মাদকপাচারের সঙ্গে জড়িত, এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো প্রকাশ করেনি। আর এতে করে অভিযানের বৈধতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ সব হামলা সম্ভবত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শামিল। কারণ এতে এমন বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি সৃষ্টি করেনি।