সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৫:০৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

ঢাকা প্রেস প্রতিবেদক 

 

আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু থেকেই অর্থের পেছনে না ছুটে মেধা, সততা, নীতি-নৈতিকতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য আইনজীবী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
 

তিনি বলেছেন, আইনজীবীদের পেশাগত জীবনের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও আইনজীবীদের সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব।
 

এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষা পদ্ধতিকে স্বচ্ছ ও কঠোর করার অন্যতম লক্ষ্য হলো মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে আইন পেশায় প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করা। যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেয়েছেন, তারা কারও দয়া বা অনুকম্পায় নয়, নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই এ অবস্থানে এসেছেন।
 

এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় নেপোটিজমের কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান বলেন, এমনকি এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্যদের সন্তানদেরও এ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার নজির রয়েছে। তাই নবীন আইনজীবীদের নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার ওপর আস্থা রেখে পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে হবে।
 

আইনমন্ত্রী বলেন, আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে হলে কর্মজীবনের শুরুতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। শুরুর দিকে কাজ ও পারিশ্রমিক কম থাকলেও ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে হবে। অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের পরিধি ও পারিশ্রমিকও বাড়বে। তাই পেশাজীবনের শুরুতেই অর্থ উপার্জনের পেছনে না ছুটে দক্ষ ও যোগ্য আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
 

পেশাগত নৈতিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতি কিংবা শর্টকাটের পথ অবলম্বন করে দ্রুত অর্থবিত্ত অর্জনের চেষ্টা করা উচিত নয়। মেধা, সততা, নৈতিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই একজন আইনজীবীকে নিজের অবস্থান তৈরি করতে হবে।
 

তিনি আরও বলেন, অর্থের বিনিময়ে পরিচালিত মামলার পাশাপাশি অসহায় মানুষের কিছু মামলা বিনামূল্যে পরিচালনার চেষ্টা করা উচিত। সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে আইনজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে।
 

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক আইনজীবী থাকলেও তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আইন পেশাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ, দক্ষতাভিত্তিক ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মজিবুল হক, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া এবং স্কুল অব ল’র ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. এম. এ. বাকি খলিলি।
 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএপির ডিপার্টমেন্ট অব ল’ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. নূর-ই মেডিনা সূরাইয়া জেসমিন।
 

অনুষ্ঠান শেষে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির আইন বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা দেওয়া হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সম্মাননাপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।