বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:২৩:৩১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মোটরসাইকেলে কাজ করছে ফুয়েলপাস

মোটরসাইকেলে কাজ করছে ফুয়েলপাস

দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েলপাস’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) চালু হয়েছে। তবে শুরুতে শুধু মোটরসাইকেলের জন্য এই সেবা চালু হয়েছে।

পরবর্তীতে অন্য যানবাহনগুলোকেও ফুয়েলপাসের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। শুরুতে ৭টি ফিলিং স্টেশনে এই অ্যাপ ব্যবহার করে তেল দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে আরো ১০-১৫টি স্টেশনে এর পরিধি বাড়ানো হবে। ঢাকার পর চট্টগ্রামে এর ব্যবহার শুরুর কথা।

বর্তমানে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আইটি বিশেষজ্ঞরা স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে এই অ্যাপ কীভাবে ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে বসছেন। এ বিষয়ে এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ চলছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন আগামী মে মাস নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এর ব্যবহার শুরুর পরিকল্পনা আছে।

আপাতত ঢাকার সাতটি পাম্পে পাইলটিং ভিত্তিতে ফুয়েলপাসের অ্যাপ ব্যবহার শুরু করা হয়েছে। যদিও সরেজমিন ট্রাস্ট ও সোনার বাংলা ছাড়া অন্য কোথাও এর ব্যবহার শুরু করতে দেখা যায়নি। কয়েকটি পাম্প থেকে জানানো হয় মন্ত্রণালয় থেকে লোক গিয়ে তাদের ফুয়েল পাস নিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা দ্রুত এর ব্যবহার শুরু করতে পারবেন বলে আশা করছেন। এই সাতটি পাম্পের পর পর্যায়ক্রমে আরও ১০ থেকে ১৫টি পাম্পে এর পরিধি বাড়ানো হবে। মূলত এই অ্যাপের ডাটাগুলো বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে যাচাই হয়ে আসছে।

বিআরটিএ ও জ্বালানি বিভাগ উভয় পক্ষকেই নিজেদের ওপর তথ্য ও কারিগরি ক্ষেত্রে নির্ভর করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে চাইলেই একসঙ্গে সব তথ্য খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। আবার বিআরটিএর এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস)-এর সীমাবদ্ধতা আছে।

প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেট্রোতে যাদের মোটরসাইকেল রেজিস্টার করা আছে তারা এই সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন। প্রথমদিকে রেজিস্ট্রেশনে কিছু ঝামেলা থাকলে ১৪ এপ্রিল থেকে কিছুটা সহজ হয়েছে।