বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৩৩:৪১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিরোধীদল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিরোধীদল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

সদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, এসব অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতারা ‘বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন’।

রোববার সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, “রহিত হওয়া কয়েকটি অধ্যাদেশ পুনরায় যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। আমরা সংশোধনের মাধ্যমে এগুলো পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ইতোমধ্যে ২০টি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এর মধ্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও দুর্নীতিবিরোধী সংস্কার-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগও রয়েছে।

আইনমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সাতটি অধ্যাদেশ পুনরায় বিবেচনার দাবি রাখে। এসব বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমরা এগুলো করিনি বা বাদ দিয়েছি এ ধরনের বক্তব্য সঠিক নয়, এটি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সাতটি চারটি বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে এবং আরও ১৩টি অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়েছে। গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার পর সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পাওয়ায় এসব অধ্যাদেশের আর কার্যকারিতা নেই বলে জানানো হয়।