সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:০৯:৪১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

রাজধানী মিরপুরের পল্লবী এলাকায় চাঞ্চল্যকর শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। আগামী ৭ জুন (রোববার) এই বহুল আলোচিত মামলার চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করা হবে।

 

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত উভয়পক্ষের আইনি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন।

 

এর আগে, গত সোমবার (১ জুন) প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে আদালত বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আদেশ দেন। এর ঠিক পরদিন, চার্জশিটে থাকা ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি রেকর্ড করার মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বের সমাপ্তি টানা হয়। গতকাল বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আসামিরা নিজেদের নিরপরাধ দাবি করে।

 

আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনটি আমলে নেয়। একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এই চার্জশিট জমা দিয়েছিলেন।

 

পরবর্তীতে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত করা হয়। পুরো মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।