শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:১৮:১১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ঝালকাঠির আমুয়া হাসপাতাল চিকিৎসক সংকটে: সেবা থেকে বঞ্চিত দুই লক্ষাধিক মানুষ

ঝালকাঠির আমুয়া হাসপাতাল চিকিৎসক সংকটে: সেবা থেকে বঞ্চিত দুই লক্ষাধিক মানুষ

বরিশাল ব্যুরো:

 

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার উপকূলীয় এলাকা আমুয়া সরকারি হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও কর্মী সংকটের কারণে ভুগছে। প্যাথলজিক্যাল যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকার কারণে প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
 

স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালটি ১৯৬৩ সালে ৫০ শয্যার ক্ষমতাসম্পন্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন প্রায় একযুগ ধরে চিকিৎসা সহ গুরুত্বপূর্ণ ৪৫টি পদ শূন্য রয়েছে। হাসপাতালের কোটি কোটি টাকার এক্স-রে মেশিন, ইসিজি ও প্যাথলজি ল্যাবের যন্ত্রাংশ দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে থাকায় প্যাথলজিক পরীক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।
 

বর্তমানে হাসপাতালের মাত্র একজন টিএইচও, একজন আরএমও, দুইজন মেডিকেল অফিসার এবং একজন মেডিকেল টেকনোলজিস রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। এ কারণে রোগীদের বড় সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া, রাজাপুর, বেতাগী, ঝালকাঠি সদর ও বরিশাল গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।
 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তাপস কুমার তালুকদার জানান, “১৯ জন চিকিৎসকের মধ্যে আমি সহ মাত্র ৪ জন কর্মরত আছি। ৫৬ জন কর্মচারীর মধ্যে ২৮ জনের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। জনবল সংকটের কারণে সেবা দিতে ইচ্ছা থাকলেও কার্যকরভাবে পারছি না। নিয়মিত লিখিত আবেদন করলেও কোনো সুফল পাইনি।”
 

উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল হওয়ায় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।