বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:১২:৪২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

টাঙ্গাইলে বাকি নিয়ে বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, লুটপাট; আহত অন্তত ১০

টাঙ্গাইলে বাকি নিয়ে বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, লুটপাট; আহত অন্তত ১০

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:


টাঙ্গাইলে দোকানে বাকি চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই উপজেলার গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার দুটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গোলপেচা গ্রামের আলমগীর হোসেনের মুদি দোকানে বাকি চাওয়া নিয়ে এক ক্রেতার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। ওই ক্রেতা ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগতকুড়া গ্রামের বাসিন্দা। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয় এবং পরে বিষয়টি দুই এলাকার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি শান্ত করতে বুধবার দুপুরে নলিন বাজারের কাছে লাংড়া মোড়ে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তবে বৈঠক শুরুর পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানান, জগতকুড়া গ্রামের কয়েকশ মানুষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও শিক্ষক নিয়ামত আলীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের পর গোলপেচা গ্রামে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয় এবং মালামাল লুট করা হয়।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বির রহমান জানান, খবর পেয়ে ভূঞাপুর ও গোপালপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

গোপালপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, “তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”