শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:৩৪:৩৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বাইশারীতে পৃথক অভিযানে তিনটি দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার

বাইশারীতে পৃথক অভিযানে তিনটি দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার

আনোয়ার হোছাইন,(নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিনিধিঃ


 

বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি ও পুলিশের পৃথক যৌথ অভিযানে দেশীয় তৈরি তিনটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।
 

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডস্থ হরিণ খাইয়া এলাকায় গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ও শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল ওয়াসাখালী হরিণ খাইয়া মুখ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
 

এরপর শনিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে একই ইউনিয়নের হরিণ খাইয়া জোড়া ব্রিজ এলাকায় বিজিবি ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে আরও একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। এতে মোট তিনটি বন্দুক বাজেয়াপ্ত হলো।
 

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, “বিজিবি কর্তৃক উদ্ধারকৃত এই অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ধরনের যৌথ অভিযান এলাকায় অপরাধ দমনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
 

১১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান, মাদকদ্রব্য পাচার ও অবৈধ অস্ত্র রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
 

স্থানীয় সচেতন মহল বিজিবির এই তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে, নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।