সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:১০:১৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বিশেষ আদালতে ৫-৭ দিনের মধ্যেই রামিসা হত্যার বিচার

বিশেষ আদালতে ৫-৭ দিনের মধ্যেই রামিসা হত্যার বিচার

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র আজ রোববার আদালতে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিশেষ আদালতে এ মামলার বিচার কার্যক্রম ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে আদালতের এখতিয়ারাধীন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

এক ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মামলার তদন্ত শেষে আজই চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং দ্রুত বিচার শেষ করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এখন তা ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যারে এন্ট্রি সহ প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।

 

অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি হিসেবে সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্বপ্না আক্তারকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে।

 

এর আগে গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। সেখানে তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন এবং এর পরই শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সময়ে ঘরের একটি কক্ষে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটকে রেখেছিলেন সোহেল। পরে মরদেহ টুকরা করে গুম করার প্রস্তুতির সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান সোহেল ও তার আরেক সঙ্গী।

 

স্বপ্নাকে তাৎক্ষণিক আটক করেন স্থানীয়রা।