সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৪৯:৫০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মিটার-সংযোগ ছাড়াই গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

মিটার-সংযোগ ছাড়াই গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

মোঃ আলমগীর হোসাইন হৃদয়,জামালপুর প্রতিনিধি:

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জে মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নতুন মিটারের জন্য আবেদন করার পর সংযোগ পাওয়ার আগেই আগস্ট মাসের বিল হাতে পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

ঘটনাটি ঘটেছে মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

 

ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় আগে থেকেই দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার চালু রয়েছে। সম্প্রতি তিনি আরও একটি নতুন মিটারের জন্য আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে আগস্ট মাসের ৬৯২ টাকার একটি বিল দেওয়া হয়।

 

সরেজমিনে নিমাই চন্দ্র সরকারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, নতুন মিটারের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ড তৈরি করা হলেও সেখানে কোনো মিটার স্থাপন করা হয়নি। এমনকি নতুন কোনো বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি। এর মধ্যেই তার নামে মোট পাঁচটি বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে পঞ্চম বিলটিই মিটার ও সংযোগ ছাড়াই তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রাহকের।

 

বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেই বিল পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে বিল তৈরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান প্রথমে দাবি করেন, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিল তৈরি করা হয়েছিল। তবে মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই বিল দেওয়ার বিষয়টি সম্ভব কি না জানতে চাইলে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেন।

 

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ও অ্যান্ড এম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। তবে মিটার ও সংযোগ ছাড়াই কীভাবে ওই গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

 

মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, “মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল আসে, তা আমার জানা নেই। যারা এগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।”

 

মিটার ও সংযোগ দেওয়ার আগেই গ্রাহকের নামে বিল তৈরির ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের অভ্যন্তরীণ তদারকি ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল বিলিং প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।