বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:৪৭:০৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ।

 

এক্সপোস্টে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সন্তুষ্ট। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে।’

 

বিভিন্ন কারণেই বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এবং ভারতীয় সেনাপ্রধানের এ বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই প্রথম এমন বৈঠক হলো দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে।

 

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়, সেটি ক্ষমতাসীন ছিল ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৮ মাস। এই ১৮ মাসে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠক হয়নি; উপরন্তু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। তবে সে সময় প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে কয়েক বার বৈঠক করেছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেনাকর্মকর্তারা সে সময় ঘন ঘন ঢাকা-ইসলামাবাদে আসা-যাওয়াও করেছেন।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান— দক্ষিণ এশিয়ার এই চার দেশ বিবিআইএন নামের একটি জোটের সদস্য। এই জোটের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সদস্যরাষ্ট্রদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তাকে দৃঢ় করা।