সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:০০:০৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ভারত থেকে ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

ভারত থেকে ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

ভারত থেকে ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

 

ভারত থেকে আরও ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালায়। ৬ টি প্রতিষ্ঠানকে এসব ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী। তিনি জানান, চিজ গ্যালারি, পপুলার ট্রেড সিন্ডিকেট, এম/এস রিপা এন্টারপ্রাইজ, এস এম করপোরেশন, বিডিএস করপোরেশন, মেসার্স জয়নুর ট্রেডার্স নামের এই ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর চার প্রতিষ্ঠানকে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। এরও আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর নিত্যপ্রয়োজনীয় আমিষের দাম বাড়ার মধ্যে খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ করে সরকার।

আজ দুপুরে হায়দার আলী আরও জানান, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে এক কোটি করে ডিম আমাদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমদানি করা ডিম খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত দাম প্রতি পিস ১২ টাকায় বিক্রি হবে করা হবে বলেও জানান তিনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, ডিম আমদানি করতে পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। যেগুলো হলো- এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু মুক্ত দেশ হতে ডিম আমদানি করতে হবে। আমদানিকৃত ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের সরকারের মাধ্যমে নির্ধারিত কিংবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত সনদ দাখিল করতে হবে। সরকার নির্ধারিত শুল্ক বা কর পরিশোধ করতে হবে। নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি করা যাবে না। সরকারের অন্য বিধিবিধান মেনে চলতে হবে।