সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০৯:৫৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •       • আল্লামা হাশেমী শিক্ষা বৃত্তি অর্জন: একই মঞ্চে বাবার গৌরব ও মেয়ের জোড়া সাফল্য •

প্রেস সচিব: জ্বালানি খাতে রাষ্ট্রীয় মদদে ডাকাতি হয়েছে

প্রেস সচিব: জ্বালানি খাতে রাষ্ট্রীয় মদদে ডাকাতি হয়েছে

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম মন্তব্য করেছেন, গত আওয়ামী লীগ সরকার জ্বালানি খাতকে চুরির কারখানায় পরিণত করেছিল। তিনি বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে এই ডাকাতির ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রীয় মদদে এটি ঘটেছিল।
 

গতকাল বুধবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) আয়োজিত ডিজেএফবি টক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
 

সংগঠনের সভাপতি হামিদ-উজ-জামান সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা মুহিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।
 

প্রেস সচিব আরও বলেন, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী তার নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প চালু করেছিলেন। "সাইফুজ্জামান চৌধুরী চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে নিজ বাড়িতে যেতে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ করেছেন। সেখানে কিছুই নেই, তবে তার নিজ এলাকায় যাওয়া সহজ করার জন্য এই প্রকল্প নিয়েছেন," বলেন শফিকুল আলম। তিনি আরও বলেন, "টানেল এলাকাতেই ৪৫০ কোটি টাকার একটি হোটেল নির্মিত হয়েছে, যা অপচয় ছাড়া কিছু নয়। তিনি ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবেন, এমন ধারণা নিয়ে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন।"
 

প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি অর্থনীতির দায়িত্ব নিয়েছে যা ধসে পড়ার পথে ছিল। তবে, অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে এই অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে, যা একেবারে অবিশ্বাস্য। "টানা পাঁচ মাস রপ্তানি বেড়েছে এবং গত ছয় মাসে অর্থনীতির অনেক উন্নতি হয়েছে," বলেন তিনি।
 

তিনি আরো উল্লেখ করেন, "আওয়ামী লীগ সরকার অপ্রয়োজনীয় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। অনেক রেলপথ তৈরি হয়েছে, যেখানে দিনে একটি ট্রেনও চলে না। প্রকল্প খরচ ৭০ শতাংশ বেড়েছে, শুধু পছন্দের লোককে সুবিধা দেওয়ার জন্য। দেশের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, কানাডায় বেগমপাড়া এবং লন্ডনে ব্লক কেনা হয়েছে।"
 

শফিকুল আলম বলেন, "অন্তর্বর্তী সরকার এখন অর্থনীতির 'যক্ষ্মা' ঠিক করছে, পরে স্বাস্থ্য ঠিক করবে।"
 

তিনি আরও জানান, গত দুই মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে এবং জুন মাসের মধ্যে এটি ৭ শতাংশে নেমে আসবে। "এখন প্রয়োজন জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা," বলেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর বারবার এ কথা বলেছেন যে, আমানতকারী কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। "যদি আগের সরকার থাকত, তবে এখন কেউ এক টাকাও ব্যাংকে রাখত না।"
 

এছাড়া, বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল এবং ভারতের যৌথ বিদ্যুৎ গ্রিড লাইন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান তিনি। "সরকার যে উদ্যোগগুলো নিচ্ছে, তা বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে। বাণিজ্য যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ বড় সুবিধাভোগী হবে," বলেন প্রেস সচিব।