সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৪৪:৩৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ না করলে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ না করলে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক:-

 

পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে ইরান সরে না এলে তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ইরানকে শুধু কর্মসূচি নয়, পারমাণবিক অস্ত্রের চিন্তা থেকেও সরে আসতে হবে। তাদের কোনোভাবেই এটি অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।”
 

এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো, যখন ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। উভয় পক্ষ আলোচনাকে ‘ইতিবাচক ও গঠনমূলক’ বললেও ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান কেবল সময়ক্ষেপণ করছে।
 

ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, আলোচনার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও সুস্পষ্ট চুক্তি হওয়া জরুরি, যার মূল ভিত্তি হবে—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। তিনি বলেন, “ইরান এখন অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।” সামরিক হামলার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “অবশ্যই সেই অপশন খোলা রয়েছে।”
 

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের সময় ইরান পারমাণবিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল, যা ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন বাতিল করেন। বাইডেন প্রশাসন পুনরায় আলোচনার চেষ্টা করলেও তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।
 

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখন কূটনৈতিক ও সামরিক চাপের মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করছে। যেখানে একদিকে রয়েছে চুক্তির আশাবাদ, অন্যদিকে ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে উদ্ভূত নিরাপত্তা হুমকি।