মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:২০:১০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

আবুবকর তাহিরু: গাছ জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড!

আবুবকর তাহিরু: গাছ জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড!

                    ঘণ্টায় এক হাজারের বেশি গাছকে জড়িয়ে ধরে রেকর্ড গড়েন তাহিরু


প্রকৃতিপ্রেমী আবুবকর তাহিরু ছোটবেলা থেকেই গাছের প্রতি অগাধ ভালোবাসা পোষণ করেন। সেই ভালোবাসাকেই কাজে লাগিয়ে তিনি গড়েছেন এক অসাধারণ বিশ্ব রেকর্ড! মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজারেরও বেশি গাছ জড়িয়ে ধরে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এই ঘানার যুবক।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউপিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ বছর বয়সী তাহিরু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের টাস্কেগি ন্যাশনাল ফরেস্টে এই অসাধারণ কীর্তি অর্জন করেন। তিনি ঘণ্টায় ১ হাজার ১২৩টি গাছকে জড়িয়ে ধরে বিশ্বকে তাকিয়ে দেন।

রেকর্ড গড়ার জন্য তাহিরুকে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়েছিল। প্রতিটি গাছকে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরতে হয়েছে। গাছের কোনো ক্ষতি করা যাবে না। একই গাছকে একাধিকবার জড়িয়ে ধরাও নিষিদ্ধ ছিল।

তাহিরু এই নিয়ম মেনে দ্রুত গতিতে একটি গাছ থেকে অন্য গাছে ছুটে যান। প্রতি মিনিটে তিনি ১৯টি গাছ জড়িয়ে ধরতে সক্ষম হন। এক ঘণ্টার মধ্যে তিনি মোট ১ হাজার ১২৩টি গাছকে জড়িয়ে ধরে রেকর্ড গড়ে তোলেন।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাহিরু পুরো প্রক্রিয়াটি একটানাভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন।

আলবামার অবার্ন ইউনিভার্সিটিতে ফরেস্ট্রিতে স্নাতকোত্তর করছেন তাহিরু। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষার প্রতি তার গভীর ভালোবাসা থেকেই তিনি এই অসাধারণ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।