শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:৪২:১৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি, পুলিশের সঙ্গে জনতার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি, পুলিশের সঙ্গে জনতার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা ওই শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
 

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় জেলা পুলিশ বক্সের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১১টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করতে সক্ষম হয়।
 

আটককৃত শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার কাচুটিয়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার দারুল হিকমা হাফিজিয়া ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক।
 

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসা শিক্ষক মহসিনের বিরুদ্ধে এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার রাত ৯টার দিকে মাদ্রাসার আশপাশের বাসিন্দারা তাকে গণপিটুনি দেন। গণপিটুনির শিকার শিক্ষক একপর্যায়ে দৌড়ে গিয়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার জেলা পুলিশ বক্সে আশ্রয় নেন।
 

কিন্তু খবর পেয়ে মুহূর্তেই কয়েকশ মানুষ পুলিশ বক্সের সামনে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষকের ওপর চড়াও হতে চায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এসময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।