বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১১:০৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •

শীত, কুয়াশা ও ঠান্ডায় কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত

শীত, কুয়াশা ও ঠান্ডায় কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত

ঢাকা প্রেস
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামে জেকে বসেছে শীত। সেই সাথে হিমালয় থেকে আসা হিমেল হাওয়া ও হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
 

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সুবল চন্দ্র সরকার জানান, লঘুচাপের কারণে আকাশে মেঘ থাকায় কুয়াশার উপস্থিতি বাড়ছে। সেই সাথে ধেয়ে আসা শীতল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। লঘুচাপ সরে গেলে তাপমাত্রা আরও নিম্নগামী হয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানান তিনি।
 

হিমালয়ের কাছাকাছি সীমান্ত ঘেঁষা এ জেলায় অন্যান্য জেলার তুলনায় শীতের তীব্রতাও এখানে বেশি থাকে। শীতের স্থায়িত্বও থাকে বেশি দিন। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জেলার জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটেখাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
 

জেলা সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের বাঞ্ছারাম এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, তীব্র শীতের কারণে ৪-৫ দিন ধরে ট্রলি  চালানো মুশকিল হয়ে পড়েছে। ঠাণ্ডা বাতাসে কাপড় ভেদ করে শরীরে লাগে। ঠাণ্ডার কারণে কাম কাজও কমে গেছে আয়ও নাই।
 

যাত্রাপুর ইউনিয়নের কৃষি শ্রমিক মোজাম্মেল হক বলেন, "ঠাণ্ডায় হাত পা অবশ হওয়ার মতো অবস্থা। জমিতে হিম জমে থাকায় কাজ করা খুবই অসুবিধা হচ্ছে। শীত বস্ত্রের অভাবে খুবই কষ্টে আছি।"
 

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শীতার্তদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দের ২৭ লাখ টাকা ও ১২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।