বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১১:৩৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •

বন কর্মকর্তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে

বন কর্মকর্তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে

ঢাকা প্রেস,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-



রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে চলছে বনের জায়গা দখলের প্রতিযোগিতা। পাহাড় কেটে অবাধে নির্মাণ করা হচ্ছে কাঁচা-পাকা বাড়িঘর।

 

রামু উপজেলার রাজারকুল রেঞ্জ এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দারিয়ারদিঘী বিটের আওতাধীন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আওতাধীন এলাকায় বিশাল আকৃতির পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে । এই এলাকার সাব্বির আহমদের ছেলে সাঈদের বিরুদ্ধে বনের জায়গায় ইট দিয়ে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বনবিভাগের কর্মকর্তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এমন বন উজারের কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও কোন এক অজানা কারণে তারা নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
  

পাহাড় খেকো সিন্ডিকেট বন কর্মকর্তাদের চোখের সামনে নির্দিধায় রাত-দিন পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করলেও তারা দেখেও যেন না দেখার ভান করে বসে আছেন।
 

পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে এলাকার বাসিন্দারা জানান সাব্বির আহমদের ছেলে সাঈদ একজন রোহিঙ্গা নাগরিক। সে বাংলাদেশী পরিচয়পত্র বানিয়ে কিছুদিন কক্সবাজার শহরে বসবাস করলেও বর্তমানে খুনিয়া পালং এলাকায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বনবিভাগের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করছেন। 
 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি জানান, এখানে যার টাকা খরচ করার সামর্থ্য থাকবে তারাই অবাধে স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবেন। সে বাংলাদেশী হউক আর রোহিঙ্গা হউক এতে কোন সমস্যা নেই। এসময় তিনি আরও জানান শতশত রোহিঙ্গা নাগরিক বনবিভাগের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করে অবাধে বসবাস করছেন এই এলাকায়।
 

বনবিভাগের নীরবতা এবং প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ডে প্রতিনিয়ত ধ্বংসের মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। 
 

বনবিভাগের দুর্বলতা কে কাজে লাগিয়ে এভাবে বন আর পাহাড় দখলের প্রতিযোগিতা চলতে থাকলে অচিরেই ধ্বংস হবে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের প্রাকৃতিক পরিবেশ।
 

পাহাড় কেটে পাকা বাড়ী নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাঈদ বলেন আমি রোহিঙ্গা নয় বাংলাদেশী নাগরিক। বনবিভাগের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করা আমার অপরাধ হয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। 
 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিট অফিসার ইসরাইল হোসেন বলেন সিনিয়র অফিসারদের সাথে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।