সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৪৩:৫৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ফের মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ: মুখপাত্রের বক্তব্য

ফের মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ: মুখপাত্রের বক্তব্য

ঢাকা প্রেস,আন্তর্জাতিক ডেস্ক:-

 


 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ফের উঠে এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। এক সাংবাদিক বাংলাদেশে চরমপন্থী হামলা এবং সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার বিষয়ে প্রশ্ন করেন। তবে এই প্রশ্নের সরাসরি কোনো জবাব দেননি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস।
 

স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাবে ট্যামি ব্রুস বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেকোনো বিষয় কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মাধ্যমে তিনি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
 

এদিনের ব্রিফিংয়ে প্রশ্নকারীরা বলেন, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ইসলামপন্থী চরমপন্থী হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সন্ত্রাসবাদ দমন এবং বাংলাদেশকে আফগানিস্তানে পরিণত হওয়া থেকে রোধ করতে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিচ্ছে? একইভাবে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অধীনে সাংবাদিকদের বেআইনি কারাদণ্ড এবং বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
 

প্রশ্নের উত্তরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, “আমরা যেসব প্রশ্নের সম্মুখীন হই, সে বিষয়ে আমাদের মনোভাব হলো—যেসব দেশ আমরা বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করি, তাদের কাছ থেকে আমরা কী আশা করি। কূটনৈতিক সমাধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।”
 

তিনি আরও বলেন, “আমাদের এমন একটি প্রশাসন এবং একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন, যিনি কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বিশ্বজুড়ে আমাদের বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং এর মাধ্যমে আমাদের শক্তিরও প্রভাব সৃষ্টি হয়।”
 

মুখপাত্র আরও জানান, “আমাদের প্রেসিডেন্ট বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখেন। তিনি জানেন, আমরা প্রতিটি দেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশ থেকে মানবাধিকার সম্মান করার এবং তাদের নাগরিকদের সরকারের কাছ থেকে ন্যায্য প্রত্যাশা করার বিষয়ে সচেতন থাকার প্রত্যাশা করি।”