শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৩:১৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

জুলাই সনদ নিয়ে তীব্র বিরোধ সরকারকে ফেলেছে বড় চ্যালেঞ্জে: ড. আসিফ নজরুল

জুলাই সনদ নিয়ে তীব্র বিরোধ সরকারকে ফেলেছে বড় চ্যালেঞ্জে: ড. আসিফ নজরুল

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দেখা দেওয়া তীব্র বিরোধ অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে কঠিন এক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
 

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “গত ২৭০ দিন ধরে আলাপ-আলোচনার পরও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো অনৈক্য রয়ে গেছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। এই পরিস্থিতিতে সমঝোতার দলিল পাস করাই সরকারের জন্য এখন দুরূহ চ্যালেঞ্জ।”
 

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “আমরা দেখেছি, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়নি। প্রথমে বিষয়বস্তু নিয়ে বিরোধ ছিল, এখন দেখা যাচ্ছে পদ্ধতি ও সময় নিয়েও ভিন্নমত দেখা দিয়েছে—একদিকে ‘কীভাবে সনদ পাস হবে’, অন্যদিকে ‘গণভোট কবে হবে’। যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে ছিলেন, তারাই এখন পরস্পরবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। এতদিন আলোচনার পরও যদি ঐকমত্য না আসে, তাহলে সরকার কীভাবে এগোবে, সেটি নিয়ে আমাদের ভাবতে হচ্ছে।”
 

তিনি আরও বলেন, “কোনও রাজনৈতিক দল যদি এককভাবে চাপ প্রয়োগ বা আল্টিমেটাম দেয়, তা বোঝায় তাদের মধ্যে ঐক্য নেই। তারা চাইছে সরকার যেন তাদের দলীয় অবস্থানকে সমর্থন করে। অথচ আলোচনার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। তারা যে অনৈক্য দেখাচ্ছেন, তা জুলাইয়ের চেতনার সঙ্গে বেমানান।”
 

আইন উপদেষ্টা জানান, ক্যাবিনেট সভায় অনৈক্যের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ঐকমত্য কমিশন দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে—একটি হলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ দিয়ে গণভোট আয়োজন করা, আর তা ২৭০ দিনের মধ্যে না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধান সংশোধন হয়ে যাবে; অন্যটি হলো এ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সংসদের হাতে ছেড়ে দেওয়া। “এই দুই বিকল্পের মধ্যে কোনটি বাস্তবসম্মত, তা নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মূল মতবিরোধ,” বলেন তিনি।
 

গণভোট প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এ ইস্যু এখন সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান উপদেষ্টা। আমরা তাকে সহায়তা করবো, কিন্তু সিদ্ধান্ত হবে তার নেতৃত্বে। পরামর্শের প্রয়োজন হলে তিনি নেবেন, আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আমরা দৃঢ়ভাবে সেটির পাশে থাকবো। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”