বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:২৫:২৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

১৯ বছর পর চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ সদস্য

১৯ বছর পর চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ সদস্য

দীর্ঘ ১৯ বছর পর অবশেষে চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা। ২০০৭ সালে ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল হওয়া পুলিশ সার্জেন্ট ও সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

 

সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত ১২৩ সার্জেন্ট এবং ২০৭ সাব-ইন্সপেক্টরের (নিরস্ত্র) নিয়োগ ২০০৭ সালে বাতিল করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর সেই আদেশ প্রত্যাহার করে নির্বাচিতদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

 

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্টরা নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২০০৭ সালে নিয়োগ বাতিল না হলে যে তারিখে তারা স্বাভাবিকভাবে চাকরিতে যোগদান করতেন, সে তারিখ থেকেই তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা (সিনিয়রিটি) নির্ধারণ করা হবে।

 

তবে এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মৌলিক প্রশিক্ষণকাল ছয় মাস এবং শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিধি-বিধান অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।