মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:০৭:১৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছে চীনের ক্রুবিহীন মহাকাশযান

চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছে চীনের ক্রুবিহীন মহাকাশযান

চীনের ক্রুবিহীন মহাকাশযান চেং’ই ৬ সফলভাবে চাঁদ থেকে কিছুটা দূরে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটি। রবিবার (২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে চাঁদের মাটি স্পর্শ করে মহাকাশযানটি। খবর বিবিসি। চীন সরকার জানিয়েছে, মহাকাশযানটি এমন এক অনাবিষ্কৃত জায়গায় অবতরণ যেখানে আগে কেউ যাওয়ার চেষ্টা করেনি। সেই জায়গাটি ‘সাউথ পোল এইটকেন বেসিন' নামে পরিচিত। ধারণা করা হয়, চাঁদ গঠিত হওয়ার শুরুর দিকে বিরাট কোন সংঘর্ষের ফলে সেখানে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছিল।


গত ৩ মে এই মহাকাশযানটি চাঁদে নতুন মিশন শুরু করে যার উদ্দেশ্য ছিল চাঁদ থেকে মূল্যবান পাথর এবং মাটি সংগ্রহ করা। ওই গর্ত থেকে এরই মধ্যে চাঁদের প্রাচীনতম কিছু পাথর বের করতে পেরেছে চন্দ্রযানটি।চাঁদের মাটিতে মহাকাশযানটির অবতরণ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ মহাকাশযানটি একবার চাঁদের দূরবর্তী প্রান্তে পৌঁছে গেলে সেখানে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব। নাসা বলছে, মহাকাশযানটির উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে কাঙ্ক্ষিত উপকরণ সংগ্রহ করতে তিন দিন সময় লাগবে।


এর আগে ২০১৯ সালে চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছিল চীনের চেং’ই ৪। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির চন্দ্র ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জন পার্নেট-ফিশার ব্যাখ্যা করে বলেন, অনেকেই এই বিষয় নিয়ে বেশ আগ্রহী যে চাঁদে এমন কোন পাথর আছে যা আমরা আগে কখনো দেখি নাই। চাঁদ থেকে সংগ্রহ করা পাথরগুলো দিয়ে মহাকাশের গ্রহগুলোর গতিবিধি ব্যাখ্যা করে যাবে। আমেরিকান অ্যাপোলো মিশন এবং পূর্ববর্তী চীনা মিশনে ফিরিয়ে আনা অন্যান্য চন্দ্র শিলা বিশ্লেষণ করেছেন তিনি।