সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:০১:১০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ট্রাম্পের গাজা দখলের পরিকল্পনা

ট্রাম্পের গাজা দখলের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক:-
 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকার দখল নিতে চান এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতিবেশী দেশগুলোতে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করেছেন। প্রয়োজনে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
 

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে কয়েক দশকের মার্কিন নীতি উপেক্ষা করে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। গাজার অধিবাসীদের অন্যত্র সরিয়ে সেখানে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
 

গাজার বাসিন্দাদের উচ্ছেদের পর উপত্যকাটিতে কারা বসবাস করবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, এটি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি নতুন আবাসভূমি হবে। তিনি আরও জানান, ফিলিস্তিন ভূখণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে, যদিও এর বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।
 

যুক্তরাষ্ট্র সফররত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, গাজায় রয়ে যাওয়া অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। এসব কাজে সহায়তার জন্য প্রয়োজনে মার্কিন সেনা মোতায়েনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
 

ট্রাম্প আরও বলেন, "আমরা গাজায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটিয়ে হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি অবস্থা তৈরি করা, যা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য গর্বের বিষয় হবে এবং ইসরায়েলসহ পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।"
 

এদিকে, ট্রাম্পকে "মহান বন্ধু" হিসেবে অভিহিত করে তার পরিকল্পনার প্রশংসা করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, "হোয়াইট হাউসে প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়ে আমি সম্মানিত। এটি ইহুদি রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি আপনার বন্ধুত্বের প্রমাণ। হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু আপনি।"
 

নেতানিয়াহু আরও বলেন, "গাজা যেন আর কখনো ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে না ওঠে, সে নিশ্চয়তা আমরা চাই।"
 

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনিদের গাজার বাইরে পুনর্বাসনের প্রস্তাব আগে থেকেই প্রত্যাখ্যান করেছে আরব দেশগুলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে গাজার অধিবাসীরা স্থায়ীভাবে নিজেদের ভূখণ্ড হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।