বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৫৮:৫৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে

স্বাধীনতার ঘোষণা ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক দূর করে সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এখনো স্পষ্টভাবে জাতির সামনে উপস্থাপিত হয়নি। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়কাল নতুনভাবে গবেষণা ও সংকলনের মাধ্যমে তুলে ধরা প্রয়োজন।

 

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলেক্ষ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষক ও রণাঙ্গনের জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল মূলত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে। সেই নির্বাচনে পাকিস্তানের রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট দিয়েছিল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

 

তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণের পরও ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চলছিল। তবে ২৫ মার্চের গণহত্যার পর জনগণের মধ্যে যুদ্ধের অনিবার্যতা তৈরি হয়।

 

‘ওই পরিস্থিতিতে একজন স্বাধীনচেতা বাঙালি সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে দ্বিতীয়বার ঘোষণা দেন।’