শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:০৪:২৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশের পর তিন বাংলাদেশি নিহত

ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশের পর তিন বাংলাদেশি নিহত

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে তিন বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ভারতের খোয়াই জেলার সাম্পাহার থানায় রাখা হয়েছে।
 

ঘটনাটি বুধবার জানা যায়। নিহতরা হলেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা—আলীনগর গ্রামের মৃত আশ্বব উল্লার ছেলে জুয়েল মিয়া (৩০), বাসুল্লা গ্রামের কনা মিয়ার ছেলে পণ্ডিত মিয়া (৪৯) এবং কবিলাশপুর গ্রামের কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে সজল মিয়া (২৫)।
 

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে প্রবেশের পর এ ঘটনাটি ঘটে। হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কয়েকদিন আগে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী বিদ্যাবিল এলাকা দিয়ে তিনজন বাংলাদেশি গোপনে ভারতের খোয়াই থানার কারেঙ্গিছড়া এলাকায় প্রবেশ করেন।
 

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার তারা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত অতিক্রমের পর স্থানীয়রা তাদের চোর সন্দেহে আটক করে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
 

বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলটি সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার ভেতরে, যা ভারতের ৭০-বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন এলাকা। বিজিবি জানায়, ঘটনার পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য যাচাই প্রক্রিয়াধীন।
 

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, “সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
 

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, “ঘটনা সম্পর্কে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাইনি, নিহতদের পরিবারের কাছ থেকেই বিষয়টি জানতে পেরেছি।”
 

নিহত পণ্ডিত মিয়ার স্ত্রী রুজিনা আক্তার বলেন, “গত মঙ্গলবার বিড়ির পাতা সংগ্রহের জন্য তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহের ছবি দেখে আমরা বিষয়টি জানতে পারি।”
 

ঘটনাটি দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।