বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৫৮:৫৮ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রাতে ১১ ঘণ্টা ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার পরামর্শ

রাতে ১১ ঘণ্টা ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার পরামর্শ

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। 

 

একই সঙ্গে তারা ৮ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডিপো থেকে পূর্ণ চেম্বার অনুযায়ী তেল সরবরাহ, এবং বাস্তবতার আলোকে ক্রেতাদের সচেতন করার আহ্বান।

 

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় মগবাজারে আয়োজিত আলোচনা সভায় অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্যাংকারে আংশিক লোড নিয়ে তেল পৌঁছানো হলে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়, যা ব্যবসার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। তাই রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখার মাধ্যমে নিরাপত্তা ও কার্যকর সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

 

সভায় মালিকরা আরও বলেন, সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, পাম্প আক্রমণ প্রতিরোধ, এবং মালিকদের উপর একতরফা দোষ চাপানো প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। 

 

এছাড়া তারা ডিপো থেকে ট্যাংকলরির চেম্বারের পূর্ণ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

 

অ্যাসোসিয়েশনটি মনে করিয়েছে, এই সময়সীমা মানলে ক্রেতাদের ধৈর্য বজায় রাখা সহজ হবে এবং পরিবহন খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।