বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:১১:১০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

টাঙ্গাইলে নিহত ৫ জনকে সাদুল্লাপুরে দাফন করা হয়েছে

টাঙ্গাইলে নিহত ৫ জনকে সাদুল্লাপুরে দাফন করা হয়েছে

গতকাল শুক্রবার টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলায় একটি এক্সপ্রেস ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত ৫ জনকে আজ বিকেলে তাদের নিজ নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তারা সবাই গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নীজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

 

নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত সবাই গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতেন। সম্প্রতি তারা নিকটাত্মীয়দের সাথে ঈদ উৎসব উদ্যাপন করতে নিজ গ্রামে এসেছিলেন। ঈদের ছুটি শেষে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা ধাপেরহাট থেকে বনশ্রী পরিবহণের একটি ঢাকাগামী বাসে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় পৌঁছালে জ্বালানি তেল শেষ হয়ে যায়। এসময় যাত্রীরা বাস থেকে নেমে পাশের একটি রেললাইনে বসে গল্পগুজব করতে থাকেন। একইসময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাওয়ার পথে তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

 

নিহতরা হলেন জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নীজপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র সুলতান মাহমুদ (২৮), আবদুর রশিদের কন্যা রিফা (২৪), হামিদুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস বেগম (৪২), তাদের ১২ বছর বয়সী পুত্র নীরব এবং তাদের আত্মীয় (বেয়াইন) দোলা বেগম।

 

আজ সকালে নিহতদের মরদেহ গ্রামে আনা হলে স্থানীয় ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এরপর মরদেহগুলো নিহতদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সমাজের সর্বস্তরের  মানুষ নিহতদের জানাজায় অংশ নেন।