জুতার সোল (নিচের অংশ) পাটের সুতা দিয়ে তৈরি আর ‘আপার’ মানে ওপরের অংশ তৈরি হয় কাপড় বা চামড়া দিয়ে। এই জুতার নাম এসপাড্রিলস। বলা হয়ে থাকে, গ্রীষ্ম মৌসুমে ফরাসি নারীদের পায়ে এই জুতা শোভা পায়। ইউরোপজুড়ে এই জুতার প্রচলন রয়েছে। সাধারণ ব্যবহারের পাশাপাশি বিয়ের মতো বিশেষ অনুষ্ঠানেও পরা হয় এ ধরনের জুতা। বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ওবায়দুল হক রাসেলও এখন ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী এসপাড্রিলস জুতা তৈরি করেন। তার কোম্পানির জুতা রপ্তানি হয় ইউরোপের ১০টি দেশে।







