মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:৫৪:১০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বাংলাদেশি ওবায়দুলের জুতা ইউরোপে বিয়ের অনুষ্ঠানে

বাংলাদেশি ওবায়দুলের জুতা ইউরোপে বিয়ের অনুষ্ঠানে

জুতার সোল (নিচের অংশ) পাটের সুতা দিয়ে তৈরি আর ‘আপার’ মানে ওপরের অংশ তৈরি হয় কাপড় বা চামড়া দিয়ে। এই জুতার নাম এসপাড্রিলস। বলা হয়ে থাকে, গ্রীষ্ম মৌসুমে ফরাসি নারীদের পায়ে এই জুতা শোভা পায়। ইউরোপজুড়ে এই জুতার প্রচলন রয়েছে। সাধারণ ব্যবহারের পাশাপাশি বিয়ের মতো বিশেষ অনুষ্ঠানেও পরা হয় এ ধরনের জুতা। বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ওবায়দুল হক রাসেলও এখন ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী এসপাড্রিলস জুতা তৈরি করেন। তার কোম্পানির জুতা রপ্তানি হয় ইউরোপের ১০টি দেশে।

 

ওবায়দুল হক জানান, ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে হিসেবে ছোটবেলা থেকে তারও ব্যবসা করার ইচ্ছা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বাবার ব্যবসায়ে সহযোগিতার পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়েও ভাবতে থাকেন এই উদ্যোক্তা। বাবার ফল আমদানি ও বিপণন এবং কাঠের ব্যবসায়ের কাজে তাকে বিভিন্ন স্থানে যেতে হতো। এই যাতায়াতের সুবাদে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়ে তার। এভাবেই ২০০৩ সালে একবার কুমিল্লায় গিয়ে এসপাড্রিলস জুতা সম্পর্কে জানতে পারেন ওবায়দুল। তখনই তিনি রপ্তানিমুখী এ জুতা তৈরির কথা ভাবতে শুরু করেন।