শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:৪৭:৩৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

হবিগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলার আরও এক আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলার আরও এক আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড এলাকায় টমটম ও সিএনজি ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষে নিহত কৃষক ছাব্বির মিয়ার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি দিলাল মিয়াকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাকুড়া গ্রামের ইশাদ উল্লার ছেলে।
 

মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন। এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর একই মামলার ৫ নম্বর আসামি কাকুড়া গ্রামের জোবায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ফলে এ মামলায় এখন পর্যন্ত দুইজন আসামি গ্রেপ্তার হলো।
 

ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম জানান, এলাকায় পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। নবীগঞ্জ থানার ওসি শেখ কামরুজ্জামানও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের জামারগাঁও-রাধাপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আফজল মিয়া ও ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাকুড়া-করিমপুর গ্রামের টমটম ও সিএনজি চালকদের মধ্যে ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়, যা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত ২০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 

সংঘর্ষ চলাকালে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কৃষক ছাব্বির মিয়া। পরে নিহতের বড় ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় ৬১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।