শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:১৮:২৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

আ.লীগ আমলের মন্ত্রী-এমপিদের আমদানি করা ৩০ গাড়ি সরকারের পরিবহন পুলে

আ.লীগ আমলের মন্ত্রী-এমপিদের আমদানি করা ৩০ গাড়ি সরকারের পরিবহন পুলে

বিগত আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৩০টি গাড়ি নিলামে গ্রহণযোগ্য দর না পাওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার গাড়িগুলো নিলাম না করে সরকারের পরিবহন পুলে যুক্ত করা হবে।
 

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দরে এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত কর্মশালার শিরোনাম ছিল— ‘কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট ম্যানেজমেন্ট: প্রবলেমস, প্রসপেক্টস অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’।
 

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তৎকালীন সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়িগুলো আমদানি করেন। তাদের বেশিরভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের। তবে ওই বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরদিন সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। ফলে শুল্কমুক্ত সুবিধা বাতিল করে এনবিআর। এর পর থেকে গাড়িগুলো সাবেক এমপিরা ছাড়াননি।
 

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন,

“আমরা নিলাম ডাকলেও খুবই কম দাম উঠেছিল। এতে সরকারেরই লোকসান হতো। কারণ নিলামের টাকা সরকার কোষাগারে গেলেও, গাড়িগুলো কিনতে আবার সরকারকেই বেশি দাম দিতে হতো। তাই জাতীয় স্বার্থে গাড়িগুলো সরাসরি সরকারের পরিবহন পুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

তথ্য অনুযায়ী, সাবেক সংসদ সদস্যরা মোট ৫১টি গাড়ি আমদানি করেছিলেন। এর মধ্যে সাতটি আগে-পরে ছাড় করা হয়। বাকিগুলোর মধ্যে ২৪টি গাড়ি প্রথমবার গত ফেব্রুয়ারিতে নিলামে তোলা হয়েছিল। সেখানে গাড়িভেদে সর্বোচ্চ দর উঠেছিল ১ লাখ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। ১০টি গাড়ির জন্য কোনো দরই জমা পড়েনি। অথচ প্রতিটি গাড়ির সংরক্ষিত মূল্য ছিল প্রায় ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
 

ফলে নিলাম ব্যর্থ হওয়ায় এখন অবশিষ্ট গাড়িগুলো সরকারের মালিকানায় যুক্ত হচ্ছে।