বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৫৯:২৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

রেশমের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম

রেশমের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম

দেশীয় ঐতিহ্য রেশমের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম,এমপি। তিনি বলেন, ‘ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনাতে রেশম খাতের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। দারিদ্র‍্য হ্রাসে রেশম খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে যেহেতু এখাতের জনবলের অধিকাংশই গ্রামীন দুস্থ মহিলা। এই শিল্প উন্নত করলে গ্রামীন কর্মসংস্থান বাড়াবে। তবে এজন্য বিদেশী বিনিয়োগ আনতে হবে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছি। '

 

সোমবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর অফিসকক্ষে জাপানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অনোডা ইনক-এর নেতৃত্বে একদল প্রতিনিধির সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম,এমপি এসব কথা বলেন।

 

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রেশম খাতে জড়িত দুস্থ মহিলাদের ' ফ্যামিলি কার্ড সুবিধার আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় কাজ করছি। এখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট বন্ধ থাকা কারখানাগুলো চালু করতে উদ্যোগী সরকার।'

 

উল্লেখ্য, ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এক অধ্যাদেশে 'বাংলাদেশ রেশম বোর্ড' সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এদেশের ৩২ জেলার ৫২ উপজেলায় এর কার্যক্রম চলছে। রেশম সুতার মান আরও ভালো করা দরকার সেজন্য উন্নত গবেষণার প্রয়োজন।