শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৪৯:০২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নিহত দিদারুল ইসলামের পরিবারের সাক্ষাৎ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নিহত দিদারুল ইসলামের পরিবারের সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বন্দুক হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
 

প্রধান উপদেষ্টা দিদারুল ইসলামের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকারে পরিবারের সদস্যদের হাতে দিদারুল ইসলামের প্রতি সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন তিনি।
 

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ইসলাম ও আজহান ইসলাম, ভাই কামরুল হাসান, ভাইয়ের ছেলে আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।
 

প্রধান উপদেষ্টা সাক্ষাতের সময় বলেন, “পত্রিকায় দিদারুল ইসলামের ঘটনা পড়ার পর আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। টিভিতে দেখেছি নিউইয়র্কে তার শেষ বিদায়ে হাজারও মানুষের ঢল নেমেছিল। মানুষের শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তাকে ঘিরে ছিল। নিউইয়র্কে আসার পরিকল্পনার মধ্যেই মনে হয়েছিল, অবশ্যই আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে হবে।”
 

পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম নিউইয়র্ক পুলিশের একজন দায়িত্বশীল ও প্রশংসিত কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০২১ সালে পুলিশ বিভাগে যোগদান করেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে কর্মরত ছিলেন। তার দুটি সন্তান রয়েছে।
 

উল্লেখ্য, ২৮ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর গুলিতে দিদারুল ইসলাম নিহত হন। ওই ঘটনায় বন্দুকধারী একটি করপোরেট ভবনের মধ্যে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় এবং পরে আত্মহত্যা করে। সেই সময় দিদারুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হামলাকারীকে থামাতে গিয়ে প্রাণ হারান।