শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:৪৭:৫৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থানান্তরের দাবি পরিবেশবাদীদের

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থানান্তরের দাবি পরিবেশবাদীদের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:-


 

সুনামগঞ্জে প্রস্তাবিত সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে পাঁচটি পরিবেশবাদী সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের আলফাত স্কয়ারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তারা বলেন, “হাওর ভরাট করে নয়, পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে হবে।”
 

ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন আন্তঃউপজেলা অধিকার পরিষদ ও হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতারা। এতে সভাপতিত্ব করেন আন্তঃউপজেলা অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক আফিন্দি এবং সঞ্চালনা করেন পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদ। বক্তব্য দেন—বাপা জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈয়বুর রহমান বাবুল, হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ উন্নয়ন ফোরাম সিলেটের সভাপতি আবুল হোসেন এবং হাওর-নদী ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি মিজানুর রহমান রাসেল।
 

বক্তারা জানান, শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস মৌজায় প্রস্তাবিত ১২৫ একর জমি মূলত বোরো আবাদ ও জলাশয়ের অংশ। সেখানে ক্যাম্পাস নির্মাণ হলে ‘দেখার হাওর’-এর জলজ বাস্তুতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি দুটি সেতুর নিচ দিয়ে প্রবাহিত পানির পথ বাধাগ্রস্ত হয়ে কৃষি উৎপাদন ও মাছ চাষও বিপন্ন হবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে জেলা সদরসহ আশপাশের এলাকায়।
 

তাদের বক্তব্য, “আমরা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় চাই। প্রয়োজনে স্বেচ্ছাশ্রম দিতেও রাজি আছি। তবে ক্যাম্পাস এমন জায়গায় করতে হবে, যেখানে হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা পায়।”
 

উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হয় ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর। বর্তমানে টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটসহ আশপাশের কয়েকটি ভবনে অস্থায়ীভাবে পাঠদান চলছে। ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১২৫ একর জমি অধিগ্রহণের আবেদন করলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন মেলে। তবে স্থানীয়দের আন্দোলন ও সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে।