মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:৩০:০৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

স্ট্যাচু অব লিবার্টি : যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সাম্যের প্রতীক

স্ট্যাচু অব লিবার্টি  : যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সাম্যের  প্রতীক

নিউ ইয়র্ক হারবারের লিবার্টি আইল্যান্ডে অবস্থিত স্ট্যাচু অব লিবার্টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক। বিশ্বের যত নন্দিত, জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী ভাস্কর্য আছে, তার মধ্যে শীর্ষ স্থানীয় স্ট্যাচু অব লির্বাটি। এর নির্মাণ, মূল ভাব এবং অবস্থান সব মিলিয়ে এক অসাধারণ আকর্ষণ ও আবেদন তৈরি করে এই ভাস্কর্য।

 

স্ট্যাচু অব লিবার্টির ডিজাইন করেন অগাস্তে বারথোলডি। এটি নির্মাণে নেতৃত্ব দেন আলেকজান্ডার গুস্তাভ আইফেল। এই সেই আইফেল যিনি ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের স্থপতি। ১৮৭৫ সালে ফ্রেন্স-আমেরিকান ইউনিয়ন গঠন করা হয়, যাদের হাতে স্ট্যাচু অব লিবার্টি নির্মাণের বিষয়গুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর করা হয় নকশা।আইফেলের নেতৃত্বে দুবছর ধরে ফরাসি ও মার্কিন ভাস্কররা স্ট্যাচু অব লিবার্টি তৈরি করেন, যা আড়াই ইঞ্চি পুরো তামার প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। ১৮৮৪ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলে বেশকিছু দিন ফ্রান্সের একটি জাদুঘরে এটি সংরক্ষণ করে রাখা হয়।তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভিল্যান্ড ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর স্ট্যাচু অব লিবার্টি উদ্বোধন করেন।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কোলে নিউ ইয়র্ক পোতাশ্রয়ের মুখে বেডলো দ্বীপে স্থাপনকরা হয় স্ট্যাচু অব লিবার্টি। মূর্তির নামানুসারে বেডলো দ্বীপের নাম হয় লিবার্টি দ্বীপ। এখানে শত শত জাহাজ নোঙর করে। ব্যস্ততম এই দ্বীপে স্বাধীনতা, সাম্য ও মুক্তির প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে স্ট্যাচু অব লিবার্টি।

 

স্ট্যাচু অব লিবার্টি একটি নারী মূর্তি, যার পরনে ঢিলা পোশাক এবং মাথায় আলোকশিখা বিচ্ছুরিত মুকুট। এর বাঁ হাতে আছে একটি বই, যাতে খোদাই করে লেখা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার তারিখ ‘৪ জুলাই ১৭৭৬’। ডান হাতে আছে উঁচু করে ধরা মশাল, যা মুক্তির প্রতীক। পায়ের সঙ্গে থাকা ছেঁড়া শিকল বলে দিচ্ছে, পরাধীনতার খাঁচ থেকে বেরিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।বেদী থেকে মশাল পর্যন্ত স্ট্যাচু অব লিবার্টির উচ্চতা ১৫১ ফুট ১ ইঞ্চি (৪৬ মিটার)। আর ভূমি থেকে মশাল পর্যন্ত উচ্চতা ৩০৫ ফুট ১ ইঞ্চি (৯৩ মিটার)। মূর্তি পায়ের গোড়ালি থেকে মাথা পর্যন্ত ১১১ ফুট উঁচু।এবার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিমাপ দেখে নেওয়া যাক। নাক ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি, হাতের দৈর্ঘ্য ১৬ ফুট ৫ ইঞ্চি, তর্জনি ৮ ফুট, নখ ১৩ ইঞ্চি, এক কান থেকে অন্য কান পর্যন্ত দূরত্ব ১০ ফুট, দুই চোখের ব্যবধান ২ ফুট ৬ ইঞ্চি, কোমর ৩৫ ফুট, মুখের প্রস্থ ৩ ফুট।মূর্তিটির মোট ওজন ২ লাখ ৫৪ হাজার কিলোগ্রাম।