মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৬:৫৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

১০ মার্কিন ব্যাংকের ঋণমান কমিয়েছে মুডিস

১০ মার্কিন ব্যাংকের ঋণমান কমিয়েছে মুডিস

ঋণমান নির্ধারণকারী অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান মুডিস বেশ কয়েকটি মার্কিন ব্যাংকের ঋণমান কমিয়ে দিয়েছে। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মাঝারি আকারের ব্যাংক। তবে প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে যে পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটলে দেশটির কয়েকটি বড় ব্যাংকের ঋণমানও কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মুডিস মনে করছে যে ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি ও দুর্বল মুনাফার কারণে মার্কিন ব্যাংকিং খাতের শক্তি কমে যাচ্ছে।

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ১০টি ব্যাংকের ঋণমান এক ধাপ কমানো হয়েছে। এর বাইরে ছয়টি বড় মার্কিন ব্যাংকের ঋণমান পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুডিস। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে ব্যাংক অব নিউইয়র্ক মেলন, ইউএস ব্যানকরপ, স্টেট স্ট্রিট এবং ট্রুইস্ট ফাইন্যান্সিয়াল। দেশটির বড় এই ব্যাংকগুলোর ঋণমান কমিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।


মুডিস এক নোটে জানিয়েছে, ‘অনেক ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণীতে দেখা যাচ্ছে যে তাদের মুনাফা চাপে পড়েছে, ফলে অভ্যন্তরীণভাবে পুঁজি সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা কমে যাবে। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে যুক্তরাষ্ট্রে মৃদু মন্দা দেখা দিতে পারে এবং কিছু ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান কমে যেতে পারে।’

ঋণমান কমানো ও পর্যালোচনার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মুডিস আরও ১১টি ব্যাংকের পূর্বাভাস ঋণাত্মক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এগুলো সব বড় ব্যাংক, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল ওয়ান, সিটিজেন ফাইন্যান্সিয়াল ও ফিফথ থার্ড ব্যানকরপ।


মার্কিন ব্যাংকিং খাতে আস্থার সংকট শুরু হয় এ বছরে আরও আগের দিকে, যখন পরপর দুটো ব্যাংকের পতন ঘটে। এগুলো হলো সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক ও সিগনেচার ব্যাংক। এরপর আমানতকারীরা আঞ্চলিক অনেক ব্যাংক থেকে অর্থ তুলে নিতে শুরু করলে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এসব ব্যাংক জরুরি পদক্ষেপ নিতে শুরু করে।


তবে মুডিস সতর্ক করে বলছে , যেসব ব্যাংক মোটামুটি বড় অঙ্কের লোকসান দিয়েছে; কিন্তু তা কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তারা উঁচু সুদহারের এই পরিবেশে হয়তো সহজে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে না। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ একের পর এক পদক্ষেপে সুদের হার বাড়িয়ে চলেছে, ফলে পণ্য ও সেবার চাহিদা ও ঋণ করা দুই–ই কমেছে।

সুদের হার বাড়ার কারণে মন্দার শঙ্কা বেড়েছে, আর চাপে পড়েছে আবাসনের মতো খাত, যারা মহামারি–উত্তর সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে।


ফেডারেল রিজার্ভ গত সপ্তাহে যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যবসা ও ভোক্তাদের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোতে ঋণের চাহিদা কমেছে, তবে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকের কড়াকড়ি বেড়েছে। মর্গান স্ট্যানলির বিশ্লেষকেরা বলছেন যে ঋণের চাহিদা দুর্বল থাকবে।

আরেক বড় ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা ‘ফিচ’ মাত্র কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণমান এক ধাপ কমিয়ে ‘এএ+’ নির্ধারণ করেছে।

মুডিস যেসব ব্যাংকের ঋণমান কমিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে এমঅ্যান্ডটি ব্যাংক, পিনাকল ফাইন্যান্সিয়াল পার্টনারস, প্রসপারিটি ব্যাংক এবং বিওকে ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশন।