মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:০৭:৫৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবে শিপিং ও উড়োজাহাজ কোম্পানি

বিদেশি মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবে শিপিং ও উড়োজাহাজ কোম্পানি

বাংলাদেশি মালিকানাধীন শিপিং কোম্পানি ও বিমান পরিবহন সংস্থার নামে বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খোলার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব শিপিং ও বিমান সংস্থাগুলো বিদেশে সেবা সম্প্রসারণ করছে, যার আয় হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রায়। এসব হিসাব থেকে প্রয়োজনীয় খরচ মেটানো যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি শিপিং কোম্পানি ও এয়ারলাইনসের বৈদেশিক কার্যক্রম প্রসার লাভ করছে। এ বিবেচনায় আয় বাবদ বিদেশ থেকে যে অর্থ আসবে, তার ৭৫ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে জমা করা যাবে। অবশিষ্ট অর্থ টাকায় নগদায়ন করতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি দিয়ে জাহাজ ও বিমানের পরিচালন ব্যয় নির্বাহ করা যাবে।


এতে আরও বলা হয়, যেসব বাংলাদেশি শিপিং কোম্পানি ও এয়ারলাইনস বিদেশি সংস্থার কাছে জাহাজ, কনটেইনার বা এয়ারক্রাফট ভাড়া দিয়ে থাকে, সেসব কোম্পানিও বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব খুলতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার ৫০ শতাংশ ওই হিসাবে জমা রাখা যাবে, যা জাহাজ, কনটেইনার বা এয়ারক্রাফটের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে ব্যবহার করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এখন এজেন্টের ওপর নির্ভর করে বিদেশে ব্যবসা করছে শিপিং ও উড়োজাহাজ কোম্পানিগুলো। নতুন নির্দেশনার ফলে সেই নির্ভরতা কমবে। স্থানীয় শিপিং ও উড়োজাহাজ কোম্পানির ব্যবসা প্রসার লাভ করবে।