মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৭:১১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

ভারতের উত্তর প্রদেশে থাপ্পড়ে শিক্ষার্থীর দাঁত ভেঙে দিলেন শিক্ষক

ভারতের উত্তর প্রদেশে থাপ্পড়ে শিক্ষার্থীর দাঁত ভেঙে দিলেন শিক্ষক

হোমওয়ার্ক ঠিকমতো করে নিয়ে আসেনি এক শিক্ষার্থী, এ নিয়ে বেজায় চটে যান শিক্ষক। তাই শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটিয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। শিক্ষকের থাপ্পড়ে দাঁত পর্যন্ত ভেঙে গেছে তার। ভারতের উত্তর প্রদেশের রায়বারেলির এক প্রাইভেট স্কুলে ঘটেছে এই ঘটনা। খবর এনডিটিভির।

 

খবরে বলা হয়েছে, দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত শিক্ষক এতো পরিমাণে পিটিয়েছে যে অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে সে। এরপর এই ঘটনা প্রিন্সিপ্যালকে জানায় শিক্ষার্থীরা এবং ভুক্তভোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান ওই শিক্ষক।  


জানা যায়, মোহাম্মদ আসিফ নামে ওই শিক্ষক রসায়ন ও পদার্থ পড়াতেন। গতকাল বুধবার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছেন। স্যালন স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) জে পি সিং বলেন, এপ্রিলের গ্রীষ্মের ছুটির সময় আসিফ ওই শিক্ষার্থীকে হোমওয়ার্ক দেন। এরপর স্কুল খুললে গত মঙ্গলবার হোমওয়ার্ক দেখতে চান আসিফ। 


এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ওই শিক্ষার্থীর বাবা থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে হোমওয়ার্ক শেষ করতে পারিনি- শিক্ষার্থীর কাছে এমনটি শুনে রেগে যান আসিফ। এরপর লাঠি দিয়ে তাকে মারধর করেন। এতে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তার মুখে আঘাতের চিহ্ন আছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ওই শিক্ষার্থী।