শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৫৫:২২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

বন্দরে তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট রমজান ও বাবুর বিরুদ্ধে পিতাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

বন্দরে তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট রমজান ও বাবুর বিরুদ্ধে পিতাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ:-


 

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আবারও আলোচনায় এসেছে তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাট রমজান ও তার সহোদর বাবু। এবার তাদের বিরুদ্ধে নিজ পিতা হাবিবুর রহমান হবিকে প্রকাশ্যে মারধর ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
 

সূত্রে জানা যায়, বন্দর উপজেলার একরামপুর ইস্পাহানি বাজার এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান হবির সন্তান রমজান ও বাবু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা মাদকের টাকায় প্রভাব খাটিয়ে এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে এবং কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না।
 

ঘটনাটি ঘটেছে গত ৫ নভেম্বর বুধবার দুপুরে। ওইদিন রমজান ও বাবুসহ বহিরাগত আরও ৬–৭ জন মিলে হবির অপর ছেলে শুক্কুর ও পুত্রবধূ সালমা বেগমের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি থামাতে এগিয়ে যান বৃদ্ধ পিতা হাবিবুর রহমান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রমজান ও বাবু পিতার ওপর চড়াও হয়। লোহার রড ও ক্রাচ দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে তাঁকে ফেলে রাখে।
 

স্থানীয়রা হবির আর্তচিৎকার শুনে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তিনি থানায় গিয়ে ছেলেদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
 

অভিযোগের পর থেকে রমজান ও বাবু আরও বেপরোয়া আচরণ করছে বলে জানা গেছে। আহত পিতা বর্তমানে নিজের ঘরেও ফিরতে পারছেন না, এমন অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
 

এ ঘটনায় সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—মাদক সম্রাটদের টাকার প্রভাবে কি প্রশাসনও নীরব? স্থানীয়রা বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, রমজান ও বাবুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে ইস্পাহানি বাজার এলাকা মাদকের ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পাবে।