শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৩৪:১৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

এনসিপি ও এবি পার্টির নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

এনসিপি ও এবি পার্টির নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

বান্দরবানের লামা উপজেলায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও এবি পার্টির নেতাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। পাশাপাশি আরও প্রায় ৪০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
 

সোমবার লামা থানায় মামলাটি দায়ের করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ নুর উদ্দিন। মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় পর্যটন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবি ওয়াহিদ এবং এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরীর যুগ্ম সমন্বয়কারী এরফানুল হক। এছাড়া অভিযুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিরা হলেন—
মিজবাহ উদ্দিন মিন্টু (৪৮), মো. মহিউদ্দিন (৪০), শওকত ওসমান (৪০), মুজিবুল হক চৌধুরী (৫০), খাইয়ের উদ্দিন মাস্টার (৫০), মিজান, জলিল, আলম মেম্বার ও জহির। তাদের বেশিরভাগই ইটভাটার মালিক এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

 

মামলার এজাহার অনুযায়ী, হাইকোর্টের নির্দেশে রোববার লামা উপজেলার পাগলিছড়া ও ফাইতং এলাকায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজুয়ান উল ইসলামের নেতৃত্বে শুরুতে তিনটি অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করা হয়। পরে আরও কয়েকটি ইটভাটায় অভিযান চালাতে গেলে ইটভাটা মালিকদের পক্ষের লোকজন বাধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে অভিযান বন্ধ রেখে কর্মকর্তাদের ফিরে যেতে বাধ্য হতে হয়।
 

মামলার বিষয়ে নিশ্চিত করে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. জমির উদ্দিন জানান,
“অভিযানের শুরুতেই তিনটি অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী পর্যায়ে আরো ইটভাটায় যেতে চাইলে মালিকপক্ষ তাদের শ্রমিকদের ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে বাধা দেয়।”

 

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।