শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:১৩:২৭ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

মামুন হত্যায় অংশ নেওয়া তিনজনের পরিচয় শনাক্ত

মামুন হত্যায় অংশ নেওয়া তিনজনের পরিচয় শনাক্ত

পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে হত্যার ঘটনায় একাধিক ব্যাকআপ টিম কাজ করেছে বলে ধারণা পুলিশের। মামুনের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নিয়েছে দুইজনের পাশাপাশি আরেকজন। এদের মধ্যে একজন ‘ভাগ্নে’ রনি, যিনি আগে সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন। মামুনের পরিবার মনে করছে, ভালো হওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং বিশ্বাসের কারণে তাকে ইমন বাহিনীর হাতে হত্যা করা হয়েছে।
 

২০২৩ সালে ইমন গ্রুপের হামলায় মামুনের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, সেই সময় নিরীহ ভুবন চন্দ্র নিহত হন। দীর্ঘ সময় বিচার না পাওয়ায় তার পরিবার এখনো হতাশ।
 

সোমবার আদালতে হাজিরার সময় মামুনকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সিসি ফুটেজে দেখা গেছে, হত্যায় সরাসরি অংশ নেওয়া তিনজনের পরিচয়। মামুনের ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পড়া ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে গুলি করতে; তিনি ‘ভাগ্নে’ রনি। রনি এক সরকারি বাহিনী ছাড়ার পর আন্ডারওয়াল্ডে যোগ দিয়েছেন।
 

ফুটেজে দেখা আরেকজনকে সবাই ‘কুত্তা’ ফারুক নামে চেনে। তিনি উত্তরা এলাকায় থাকেন। গুলি ছোড়া দুইজনের ঠিক পেছনে ছিলেন তৃতীয় ব্যক্তি, যাকে আন্ডারওয়াল্ডে ‘স্যুটার’ কামাল নামে ডাকা হয়।
 

পুলিশ আরও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে। মামুন প্রতিদিন সঙ্গী থাকলেও সোমবার একাই আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন। পরিবার দাবি করছে, এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইমন সরাসরি হত্যায় জড়িত।
 

পাঁচ আগস্টের পর ধানমন্ডিতে ইমন এককভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছেন। তার বাহিনীর হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া এক ব্যবসায়ীও পুলিশের কাছে মামলা করেছেন, ইমনকে প্রধান আসামি করে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, আন্ডারওয়াল্ডের অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে পুলিশের গাছাড়া ভাবের কারণে মামুন হত্যার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।