শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:০৪:৪১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন

নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-


 

‎কুড়িগ্রাম জেলার নাটেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের গঙ্গাধর নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে কচাকাটা ইউনিয়নের ধনীরামপুর এলাকায় গঙ্গাধর নদীর তীরে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনের আয়োজন করে কচাকাটা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসী ও কচাকাটা থানা চর উন্নয়ন কমিটি।

‎
‎মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কচাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন মণ্ডল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ আল-আমীন, সাবেক চেয়ারম্যান হাসেম আলী সরকার, কচাকাটা থানা চর উন্নয়ন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও নদী পাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

‎
‎মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গঙ্গাধর নদীর তীব্র ভাঙনে এলাকার শত শত পরিবারের বসতভিটা, আবাদি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিলীন হওয়ার পথে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো ভাঙনের কবলে পড়েছে জাতীয় গ্রিডের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন সাবমেরিন ক্যাবল, যা ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, স্থানীয় সড়ক ও সরকারি সম্পত্তিও মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।

‎
‎বক্তারা আরও বলেন, নদী ভাঙন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা গঙ্গাধরের গ্রাসে চলে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ভাঙনের গতি কমেনি। অবিলম্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও জরুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।