শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:১৮:৫৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •       • জীবনের পরম তৃপ্তি ও এক অদ্ভুত বাস্তবতা: নাজমুল হাসান সরকার সহকারী সচিব •       • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •

চট্টগ্রামে মাতব্বর খেয়া ঘাটের বেহাল দশা, সিটি করপোরেশনের নজর নেই ৫ বছরেও

চট্টগ্রামে মাতব্বর খেয়া ঘাটের বেহাল দশা, সিটি করপোরেশনের নজর নেই ৫ বছরেও

সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

চট্টগ্রাম নগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের জুলধা সাইটের মাতব্বর খেয়া পারাপার ঘাট দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। টানেল চালু হওয়ার আগে ও পরেও প্রতিদিন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আনোয়ারা, বাঁশখালী, পটিয়া ও কর্ণফুলীসহ আশপাশ এলাকার হাজারো মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করে পারাপার হলেও গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে থাকা ঘাটটির দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কোনো নজর নেই।
 

স্থানীয় যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, ঘাটের অবকাঠামো ভেঙে পড়লেও ভাড়া বরং বেড়েছে। আগে পারাপার ভাড়া ছিল ১৫ টাকা, এখন তা বেড়ে ২০ টাকা করা হয়েছে। এমনকি গত ঈদুল আজহা ও ছুটির সময় ভাড়া ৩০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
 

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের এক সিনিয়র কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর তিনি ফোন কেটে দেন।
 

অন্যদিকে ঘাট ইজারাদার লালু সওদাগর জানান, “এখানে ইজারাদার একাধিক জন। কে আসল, কে নামমাত্র—সে হিসাব কেউ করে না। ঘাটের অবস্থা যেমনই হোক, ভাড়া কমবে না।”
 

যাত্রীদের আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হলো, যেখানে সিটি করপোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী এক নৌকায় সর্বোচ্চ ১৫ জন যাত্রী নেওয়ার কথা, সেখানে বাস্তবে ৫০ থেকে ৮০ জন পর্যন্ত যাত্রী তোলা হয়। ফলে বাড়তি ভাড়া, নিরাপত্তাহীনতা ও অব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।