বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:১৭:৫৫ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •

সাবেক এমপি মোস্তাফিজুরের অবৈধ সম্পদের খোঁজ

সাবেক এমপি মোস্তাফিজুরের অবৈধ সম্পদের খোঁজ

ঢাকা প্রেস নিউজ
 

চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও তার স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরীর নামে ৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একইসঙ্গে ২৭টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যও উদ্ঘাটিত হয়েছে।
 

বুধবার (১ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুদকের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র। জানা গেছে, দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে সম্প্রতি পৃথক দুটি মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেখানে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী উভয় মামলায় আসামি হিসেবে আছেন। শিগগিরই দুদকের পক্ষ থেকে এসব মামলার আনুষ্ঠানিক দায়ের করা হবে।
 

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১৮ কোটি ৭৫ লাখ ৯৮ হাজার ৫৮১ টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অর্জন করেছেন এবং এর উৎস গোপন করার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া তার নামে ৯৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯৯২ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
 

অন্যদিকে, তার স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরী, যিনি একজন গৃহিণী, নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন এবং স্বামীর অবৈধ সম্পদকে বৈধ করতে ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯ টাকা লেনদেন করেন। এ সময় তিনি অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থের উৎস গোপন করতে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত হন।
 

স্বামীর অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থের বৈধ উৎস না থাকা সত্ত্বেও, শাহীন আক্তার চৌধুরী নিজের নামে ২ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার ১০ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। ফলে তাকে প্রধান আসামি এবং মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীকে সহযোগী আসামি হিসেবে অভিযোগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
 

অনুমোদিত মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।