বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:১৯:৫৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •

রায়পুরা পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হারুন গ্রেপ্তার

রায়পুরা পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হারুন গ্রেপ্তার

ঢাকা প্রেস,নরসিংদী প্রতিনিধি:-

 

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নজরপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জোড়া খুনের ঘটনায় রায়পুরা পৌর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি হারুন-অর-রশিদ (৫৮) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
 

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার কারণে গত ৭ ডিসেম্বর চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের নজরপুর গ্রামে ইউপি সদস্য মানিক মিয়া (৫৫) এবং তার ভাগনি কল্পনা বেগমকে (২৫) কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় নিহতদের পরিবার জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাছেদ মিয়া এবং হারুন-অর-রশিদসহ ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত প্রায় শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করে।
 

ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নানের নির্দেশনায় থানার উপপরিদর্শক শফিউল্লাহ সিকদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রায়পুরার আশারামপুর এলাকা থেকে হারুন-অর-রশিদকে গ্রেপ্তার করে। শফিউল্লাহ সিকদার জানান, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
 

প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর ভোরে নজরপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মানিক মিয়া ও কল্পনা বেগম নিহত হন। দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধের ধারাবাহিকতায় হারুন-অর-রশিদের সমর্থকরা মানিক মিয়াকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং কল্পনা বেগমও সেই হামলায় প্রাণ হারান। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন।