বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:২৯:৩৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •

ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টা আসিফ

ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টা আসিফ

ঢাকা প্রেস
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

কুড়িগ্রামের কিশোরী ফেলানী, যিনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হন এবং বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হন, তার পরিবারের দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
 

ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টা আসিফ

বুধবার (৮ জানুয়ারি) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানিয়েছেন।
 

তিনি উল্লেখ করেন, ফেলানীর ভাই-বোনদের পড়াশোনা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন। পোস্টের ছবিতে দেখা যায়, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীবের সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন ফেলানীর মা-বাবা ও ভাই।
 

এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে নৃশংসভাবে নিহত হন নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনিটারী গ্রামের নূরুল ইসলামের কিশোরী মেয়ে ফেলানী। কাঁটাতারে ঝুলে থাকা তার মরদেহ সাড়ে চার ঘণ্টা পরে উদ্ধার হয়। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এবং গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে বিএসএফ-এর বিশেষ কোর্টে অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে দুই দফায় খালাস দেওয়া হয়। তবে, ভারতের মানবাধিকার সংগঠন 'মাসুম' এর সহযোগিতায় ফেলানীর পরিবার ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করলেও, ১৪ বছরেও ওই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার পাওয়া যায়নি।