মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৮:৫০:১২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •       • পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •

আলোচিত ফটোসেশনের পর হতদরিদ্র ১০ নারী পেলেন বাছুর

আলোচিত ফটোসেশনের পর হতদরিদ্র ১০ নারী পেলেন বাছুর

ঢাকা প্রেস,পাবনা প্রতিনিধি:-

 

পাবনার চাটমোহরের মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক গরুর বাছুর বিতরণ সংক্রান্ত ফটোসেশন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর, অবশেষে ১০ জন হতদরিদ্র নারী তাদের প্রতিশ্রুত বাছুর বুঝে পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার পর সংস্থাটি তাদের বাড়ি পর্যন্ত বাছুর পৌঁছে দেয়।

 

আলোচিত ফটোসেশনের পর হতদরিদ্র ১০ নারী পেলেন বাছুর

 

রবিবার (১৯ জানুয়ারি) পাবনার চাটমোহরের মুলগ্রাম ইউনিয়নের রেলবাজারে সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এম এস আলম বাবলু। তিনি প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “আমাদের সংস্থা ১৯৯৮ সালে নিবন্ধিত হয়ে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের নিয়ে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছি।”

 

আলোচিত ফটোসেশনের পর হতদরিদ্র ১০ নারী পেলেন বাছুর — ছবি ২


 

তিনি জানান, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) সহায়তায় সম্প্রতি একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়ে প্রথম কিস্তিতে ৩ লাখ টাকা হাতে আসে। এ অর্থে ১০ জন হতদরিদ্র নারীর জন্য বাছুর কেনা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে গত ৩০ ডিসেম্বর এই বাছুরগুলো বিতরণের কাজ সম্পন্ন হয়।

 

এম এস আলম বাবলু অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী সংস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, “বাছুর বিতরণে কোনো অনিয়ম হয়নি। বাছুরগুলো শরৎনগর হাট থেকে কেনা হয়েছে, এবং কেনার রশিদ ও সুফলভোগীদের তালিকা আমাদের কাছে আছে।” তিনি আরও বলেন, ৩০ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণের পর ওইদিন সন্ধ্যায় বাছুরগুলো নারীদের বাড়িতে পাঠানো হয়।

 

সুফলভোগী নারীদের কয়েকজন যেমন সুলতানা পারভীন, রাশিদা খাতুন, এবং জীবন নাহার জানিয়েছেন, তারা ৩০ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণ শেষে বাছুর পেয়েছেন। তবে কোহিনুর খাতুন নামে একজন বলেন, “প্রশিক্ষণ পেয়েছি ৩০ ডিসেম্বর, কিন্তু বাছুর হাতে পেয়েছি ১৭ জানুয়ারি রাতে।”
 

স্থানীয় ভ্যানচালক মোফাজ্জল হোসেন কাজলও বিষয়টি নিশ্চিত করেন যে, ১৭ জানুয়ারি রাতে বাছুরগুলো নারীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

 

এর আগে, ৩০ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণ শেষে নারীদের হাতে বাছুরের দড়ি ধরিয়ে ফটোসেশনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, ফটোসেশনের পর তাদের বাছুর না দিয়ে বিদায় করা হয়। গত ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চাটমোহর প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল, সহসভাপতি সঞ্জিত সাহা কিংশুক, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা এবং অন্যান্য সাংবাদিকরা।
 

এ ঘটনায় বিতর্কের অবসান ঘটাতে মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থা সুফলভোগী নারীদের কাছে বাছুর পৌঁছে দিয়ে তাদের সহযোগিতা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।