প্রকাশকালঃ ২৮ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:১৭ সময়

হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও তিব্বতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে তিব্বতে নিহত হয়েছেন পাঁচজন। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদেশি নাগরিক মিলিয়ে এখনো সহস্রাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলোর ফেডারেশনের (আইএফআরসি) তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগে অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা।
শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইএফআরসির প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার বলেন, ‘আমাদের ধারণা, অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের ব্যাপক সহায়তা প্রয়োজন। তবে আমরা দ্বিতীয় দফার বন্যা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’
তিনি জানান, ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে পানি উপচে পড়ায় ত্রাণবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। এতে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দপ্তরের প্রধান কমল কিশোরও পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, দুর্যোগ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি; বরং কোনো কোনো দিক থেকে এর প্রভাব এখনো চলমান রয়েছে।
একই ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মুখপাত্র তারিক জাসারেভিচ জানান, ভূমিধসে ছয়টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি আটজন স্বাস্থ্যকর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্যোগের পর দুর্গত এলাকায় উদ্ধার, নিখোঁজদের সন্ধান এবং জরুরি ত্রাণ পৌঁছানোর কাজ চলছে। তবে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা থাকায় উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।