প্রকাশকালঃ ২৭ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ১১:৪২ সময়

ফিফা নীতিগতভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি এবং অংশগ্রহণ ফি বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ভ্যাঙ্কুভারে হতে যাওয়া ফিফা কাউন্সিলের একটি সভায় অনুমোদিত হবে এই বর্ধিত তহবিলের বিস্তারিত রূপরেখা।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি মূলত বেশ কয়েকটি জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে এই সাড়া দিয়েছে। ফিফা গত ডিসেম্বরে রেকর্ড ৭২৭ মিলিয়ন ডলারের প্রাইজ ফান্ড ঘোষণা করেছিল। যেখানে ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দলের প্রত্যেকের সর্বনিম্ন ১০.৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিজয়ীদের ৫০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেশ কিছু জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনার পর এটি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এর মধ্যে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা সকল দলের জন্য আর্থিক অনুদান এবং ২১১টি সদস্য দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জন্য উপলব্ধ উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধির প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ বিশ্ব ফুটবল সম্প্রদায়ের আর্থিক অবদানের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী হতে যাচ্ছে। ফিফা তার “ফিফা ফরওয়ার্ড” প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলের কল্যাণে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে থাকতে পেরে গর্বিত। আলোচনা সাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য যথাসময়ে জানানো হবে।’
আসন্ন বিশ্বকাপসহ চার বছরের এই চক্রে ফিফা ১৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে কেবল এই টুর্নামেন্ট থেকেই আসবে ৯ বিলিয়ন ডলার। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর অনুযায়ী, ফিফার এই শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানের কারণেই প্রাইজমানি এবং অংশগ্রহণ ফি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে।