প্রকাশকালঃ ৭ এপ্রিল ২০২৬, বিকাল ৫:৪৭ সময়

সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে লালবাগ থানায় দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় শুনানির জন্য আদালতে আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১ টা ৫৬ মিনিটের দিকে একটি সাদা মাইক্রোতে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতের হাতখানায় রাখা হয়। একটু পর তার মামলার শুনানি হবে।
গ্রেপ্তারের পর ডিবি জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আজ মঙ্গলবার ভোরে আটক করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী।
শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল। এরপর থেকে টানা চারবার তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। তিনি রংপুর-৬ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।