প্রকাশকালঃ ২৭ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৪৯ সময়

রংপুরে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ঘটনাস্থলের বাড়িতে পানি দিয়ে আলামত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তাদের দাবি, ভুল করে পানির মোটরের সুইচ চালু হয়ে যাওয়ায় ট্যাংকি উপচে ছাদে পানি পড়ে।
পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাকিম বলেন, ভুল করে বাড়ির সুইচ অন হয়ে গিয়েছিল। এতে পানির ট্যাংকি পূর্ণ হয়ে গেলে মোটর বন্ধ করে দেওয়া হয়। আলামত নষ্ট করার অভিযোগ সঠিক নয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারা রয়েছে। লাইটের সুইচ অন করতে গিয়ে ভুল করে পানির মোটরের সুইচও চালু হয়ে যায়। বাড়িটির ভেতরে কোথায় কী রয়েছে, তা পুলিশ জানে না। ফলে ট্যাংকি থেকে পানি উপচে ছাদে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, আলামত নষ্ট করার অভিযোগ একেবারেই অবান্তর। লাশ উদ্ধারের সময়ই প্রয়োজনীয় আলামত সংরক্ষণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে রংপুরের একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে একে একে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন রোববার ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।